বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব সংবাদদাতা : জবাড়ীতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে দান (হেবা) করা জমি প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের কাছে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে মো. আজগর খানের (৫২) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভূক্তভোগী মো. গোলাম মস্তফা রাজবাড়ী সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, রাজবাড়ী সদর থানাধীন হাউলিজয়পুর মৌজাস্থ এস.এ ১৩৯ ও বি.এস. ১৭১ নং খতিয়ানভুক্ত এস.এ দাগ নং ১৩৯ বিএস দাগ নং ১৭৪ এর মোট .২৯ শতাংশ জমির মধ্যে .১৯৩১ শতাংশ জমি মো. আজগর খান থেকে ক্রয় করেন সদর থানাধীন মো. গোলাম মস্তফা। কিন্তু জমি ক্রয়ের কয়েকদিন পরেই গোলাম মস্তফা জানতে পারেন জমি দলিল করে দেয়ার পূর্বে ওই জমি আজগর খান তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নামে হেবা ঘোষণাপত্র মূলে দলিল করে দিয়েছে।
আজগর খানের এই কাজে আলাউদ্দিন মন্ডল (৪০) সহযোগিতা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আলাউদ্দিন মন্ডল ভবদিয়া উভয় থানার মৃত রমজান মন্ডলের ছেলে।
এ বিষয়ে ভূক্তভোগী মস্তফা ইতোমধ্যে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আজগর আলী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ভূক্তভোগী মস্তফার সাথে বিষয়টি মীমাংসা করে নিবেন বলে এই প্রতিবেদককে জানান।
অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করছেন রাজবাড়ী সদর থানার এসআই সোহেল রানা। তিনি জানান, ‘বিষয়টি সর্ম্পকে আমি অবগত হয়েছি। খুব শীঘ্রই উভয় পক্ষকে সাথে নিয়ে আলোচনায় বসে একটি সমাধানের চেষ্টা করবো।’
উল্লেখ্য, নতুন একটি আইনের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশের সরকার, যেখানে জমিজমা, ফ্ল্যাট ইত্যাদি সংক্রান্ত ২৪ ধরনের অপরাধ চিহ্নিত করে তার জন্য নানা মেয়াদের শাস্তির বিধান থাকছে। এসব অপরাধে শাস্তি ও জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন আইনে। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২১ নামের এই আইনটির খসড়া বর্তমানে মতামত গ্রহণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে।
আইনে কোন ব্যক্তি যদি তার বিক্রিত জমি পুনরায় বিক্রি করার উদ্দেশ্যে দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। এটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে।